ঢাকা , সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ , ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে আলোচিত আইনজীবী হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার দুর্গাপুরে অবৈধ পুকুর খননের অপরাধে ৬ জনকে আটক ও জরিমানা কুমিল্লায় গোমতী নদীর দুই তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি লুট, ঝুঁকিতে বাঁধ ও ফসলি জমি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মোহনপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল রাজশাহী নগরীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১৬ জানুয়ারি পটিয়ায় ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামি শওকত সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারতীয় ট্রাকের চাপায় পথচারী নিহত ভিন্ন দেশ–ভাষা পেরিয়ে লক্ষ্মীপুরে ফরাসি তরুণীর সুখী দাম্পত্য রাণীনগরে ১০টি খড়ের পালায় দুর্বৃত্তের আগুন নগরীর পবায় মাদক কারবারী কুলসুম ও চন্দ্রিমা থানায় আরিফ গ্রেফতার রাজশাহী সীমান্তবর্তী এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে বিজিবি’র কম্বল বিতরণ ঢাকা–১৪ আসনে এমপি পদপ্রার্থী এস এ সিদ্দিক সাজুকে ট্র্যাবের বিশেষ সম্মাননা চারঘাটে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার নোয়াখালীতে থানার পাশে সুপার মার্কেট থেকে চুরি, ৯ ভরি স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার-৩ সিংড়ায় কলাগাছের ভেলায় মাছ ধরা উৎসব মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে প্রাণ গেল শিশুর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করছেন গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক নেতারা নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২২ লালপুরে ফুলজান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল

  • আপলোড সময় : ২০-১১-২০২৫ ১২:২৫:৫০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-১১-২০২৫ ১২:২৫:৫০ অপরাহ্ন
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল
বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছেন দেশের সব্বোর্চ আদালত। 

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণা করেন। 

বেঞ্চের অপর ৬ বিচারপতি হলেন— বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

এ রায়ের মাধ্যমে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারে অধীনে। চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতি সর্বসম্মতিক্রমে এ রায় দিয়েছেন।

এর আগে গত ১১ নভেম্বর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

টানা ১০ দিন শুনানি শেষে দেশের সর্ব্বোচ আদালত ঐতিহাসিক এ মামলার রায়ের দিন ঠিক করেন। 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, বিএনপির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহামদ শিশির মনির। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

গত ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়। এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। 

৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

পরে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
রাজশাহী নগরীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১৬ জানুয়ারি

রাজশাহী নগরীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ১৬ জানুয়ারি